করোনা

ফের করোনা আক্রান্ত বাংলায় একদিনে তিন হাজারের ওপরে

বাংলায় একদিনে ফের তিন হাজারের ওপরে আক্রান্ত৷ তবে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৮১ শতাংশের বেশি৷ শনিবারের বুলেটিনে প্রকাশ, এদিনও নতুন আক্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ একদিনেই ৪৩ হাজার ২৩২ টি টেস্ট হয়েছে৷

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্ত ৩,০১২ জন৷ তাতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭৬৬। এর মধ্যে এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৯৯৬,যা শুক্রবারের তুলনায় ৩৫৩ জন কম৷ শুক্রবার ছিল অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৩৪৯ জন৷

তবে পরীক্ষা বেশি হওয়াতেই এ দিন বেশি সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সংক্রমণের হার ৬.৯৭ শতাংশে নেমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জন৷ যা শুক্রবারের তুলনায় তিনজন কম৷ সেদিন ছিল ৫৩ জন৷ তবে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে ৩ হাজার ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১২ জন৷

উত্তর ২৪ পরগনার ৮ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ জন৷ হাওড়া ৭ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বাকুড়া ৩ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ৩ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ কোচবিহার ২ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩১২ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৪৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ তার ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১.৪২ শতাংশ৷ শুক্রবার ছিল ৮০.৮৬ শতাংশ৷

যদিও একদিনে ফের কমেছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৩৫৩ জন কমেছে৷ ফলে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৯৯৬ জন৷ শুক্রবার এই সংখ্যাটা ছিল ২৬ হাজার ৩৪৯ জনে৷ বাংলায় একদিনেই ৪৩ হাজার ২৩২ টি টেস্ট হয়েছে৷

যা একদিনে রাজ্যে সর্বোচ্চ টেস্ট৷ শুক্রবার হয়েছিল ৪২ হাজার ১২১ টি টেস্ট৷ তার ফলে এই পর্যন্ত টেস্টের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লক্ষ ১ হাজার ৯৬০ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ২০,০২২ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৭০টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৮৭ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩২ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,০৪৫ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close