in

পশু ও মানুষ একই ছাদের নীচে প্রাণ হাতে,চোখের জল বইছে অসমের বন্যায়!

অসমের ২৭টি জেলায় সংহারি বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বন্যায় এ পর্যন্ত রাজ্যে সরকারি হিসেবে ৭৩ জন লোক মারা গেছেন। ২৭ জেলার ভিতর বন্যা সর্বাধিক ক্ষতগ্রস্ত করেছে তিনসুকিয়া, শোণিতপুর, বিশ্বনাথ চারালি, লক্ষিমপুর, বঙ্গাইগাঁও, কামরূপ, ধেমাজি, ডিব্রুগড়,ধুবড়িকে।অসমের মানুষ সমানে যুদ্ধ করছে বন্যা-করোনার বিরুদ্ধে। রাজ্যের ৩ হাজার ২১৮টি গ্রাম এখনো জলের নীচে। ১২ জেলায় ৭টি নদী বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, মানুষ ও বন্যপ্রাণী একই ছাদের তলায় আশ্রয় নিচ্ছে প্রাণের তাগিদে৷
কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে ৮৬টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যু হয়েছে বন্যায়৷ সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজিরাঙা জঙ্গলের ৮৫ শতাংশের বেশি অংশই জলের নীচে৷ ২৩৩টির মধ্যে ৮০টি শিকার-দমন ক্যাম্প ভেসে গিয়েছে জলে৷ কাজিরাঙা সংলগ্ন জাতীয় সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে৷

২০ লক্ষের বেশি বড় ও ছোট গবাদি পশু, ১২.৮৫ লক্ষ পোলট্রি ফার্ম বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায়৷ গরু, শুয়োর, ছাগল, মুরগি, হাঁস– সব বন্যায় ভেসে গিয়েছে৷ ২৪টি জেলার ৩০০ রিলিফ ক্যাম্পে শুক্রবার পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৯৭৭ মানুষকে আশ্রয় দেওয়া গিয়েছে৷ এর মধ্যে ৪ হাজার ৫২৬ জন শিশু৷ তাদের অস্থায়ী রিলিফ ক্যাম্পে মা-বাবার সঙ্গে রাখা হয়েছে৷ ৪৪৫টি রিলিফ ডিস্ট্রিবিউশন ক্যাম্প থেকে চাল, ডাল, নুন, সরষের তেল, গম, বেবি ফুড, ত্রিপল, গবাদি পশুর খাবার, স্যানিটারি ন্যাপকিন-সহ নানা অত্যাবশ্যক পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে৷কিন্তু অভিযোগ উঠছে পানীয় জলের অপ্রতুলতা৷

What do you think?

Written by Bongo Baarta Desk

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

কলকাতায় পাওয়া যাচ্ছেনা কোভিড ড্রাগ, ওষুধ জোগাড় করতে নাজেহাল আক্রান্তদের পরিবার

করোনা

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭১৬ জন