in

লকডাউনের আবহে সবজি বাজারে আগুন দর ,জনতার মাথায় হাত

সবজি বাজারে আগুন দর সবজির । আদা, রসুন ও লঙ্কা ডাবল সেঞ্চুরি পার করে ট্রিপলের দিকে এগোচ্ছে। পটল, ঢেঁড়স আর টমেটো হাফ সেঞ্চুরি পার করে সেঞ্চুরির দিকে। আলু ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ টাকা। বাজার হেরফেরে দাম। মাছ-মাংস ছোয়ার বাইরে । লকডাউনের আবহে সবজি বাজারে হাত ছোঁয়ানোই দায় হয়েছে মধ্যবিত্তের।

এই অবস্থায় কাঁচা আনাজের বাজারে দামের ছ্যাঁকায় সেদ্ধ ভাত জোগানোটাও সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে বহু মানুষের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জিনিসের যে যোগান কমেছে তেমনটা নয়। তবু সব কিছুরই দাম বেড়েছে। কারণ মাছ ও সবজি সবকিছু আনার খরচ আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে। যেহেতু ট্রেন বন্ধ, তাই অল্প মাল আনতেও গাড়ি ভাড়া করতে হচ্ছে তাঁদের। সে ক্ষেত্রে খরচও কয়েকগুণ বাড়ছে। সেই দামটা তাঁদের সবজির উপর দিয়েই তুলতে হচ্ছে। তাই দিনকয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আলুর দাম কমানোর নির্দেশ দিলেও এখনও আলুর দাম যে তিমিরে ছিল রবিবারও সেখানেই রয়েছে। চন্দ্রমুখী জ্যোতি কোনও আলুরই দাম কমেনি কোথাও।

রবিবার সকাল হতেই ব্যাগ হাতে বাজারে ছোটেন পাবলিক। কিন্তু, জিনিস মাপতে গিয়েই দামের ফিরিস্তি শুনে ব্যাগ ভরতি না করেই ফিরতে হয়েছে তাঁদের। কাঁচা লঙ্কা আড়াইশো, রসুন আড়াইশো, টমেটো আশি, ঢেঁড়স ষাট, পটল পঞ্চাশ ও বেগুন পঞ্চাশ টাকা প্রতি কেজি। আর শনিবার লকডাউন থাকায় এদিন কোনও কোনও বাজারে দাম আরও বাড়ছে। দোকানদারদের দাবি, একদিন বাজার বন্ধ থাকলে প্রচুর সবজি পচে যায়। জিনিসপত্র নষ্ট হয়। স্বাভাবিকভাবেই তাই পরদিন জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। তাছাড়া ফড়েদের উৎপাত তো আছেই।

অন্যদিকে ক্রেতাদের কথায়, কাঁচা আনাজের দামও যদি এত বাড়ে, তবে খাওয়া দাওয়া তো ছাড়তে হবে। বাজারের হেরফেরে কিছুটা দাম এদিক ওদিক হচ্ছে বটে তবে গড়পড়তায় একই। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে লোকাল ট্রেনে ভেন্ডার কামরায় সবজি আনা নেওয়া চলত। এখন তো সেই উপায় নেই। ছোট হাতি বা ছোট ট্রাকে করে সবজি আনতে হয় এখন। ফলে সবজি আনার খরচ বেড়েছে অনেকটাই। প্রথম দিকে এতটা খারাপ পরিস্থিতি হয়নি।

What do you think?

Written by Souvik Saha

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

দলবদলের জল্পনা উড়ালেন মুকুল রায় বললেন বিজেপিতে গিয়ে তিনি ‘১০০ শতাংশ সন্তুষ্ট’,

বুধবারের লকডাউনে রাজ্যে বিশেষ ট্রেন বন্ধ থাকবে জানালো রেল